বজঞনর আলক মহ শবরতর ও শবতততব : পরতক, চতন ও আধনক বজঞনক ভবনর একট মলক পনরবযখয
Abstract
সারসংক্ষেপ: এই গবেষণাপত্রে মহা শিবরাত্রি ও শিবতত্ত্বকে সম্পূর্ণ নতুন ভাষ্য ও বিশ্লেষণ কাঠামোর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে প্রতীকী ধর্মীয় ধারণাগুলিকে আধুনিক বৈজ্ঞানিক চিন্তার সঙ্গে সমান্তরালভাবে পাঠ করা যায়। গবেষণাটি প্রতীকতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ (symbolic hermeneutics) ও তুলনামূলক দর্শনভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করে শিবের বিভিন্ন রূপ—আদি যোগী, শিবলিঙ্গ, নটরাজ, তৃতীয় নয়ন ও নীলকণ্ঠ—কে নিউরোসায়েন্স, কসমোলজি ও চেতনা-বিষয়ক সমকালীন আলোচনার প্রেক্ষাপটে পুনর্মূল্যায়ন করেছে। প্রবন্ধটির যুক্তি হলো, শিবতত্ত্ব পরীক্ষণযোগ্য বৈজ্ঞানিক সূত্র নয়; বরং এটি একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক (epistemic) রূপকভাষা, যা মানবচেতনা, শক্তির রূপান্তর ও মহাজাগতিক গতিশীলতার ধারণাকে প্রতীকী আকারে প্রকাশ করে। এই আলোচনার মাধ্যমে মহা শিবরাত্রিকে কেবল আচারভিত্তিক ধর্মীয় অনুষঙ্গ নয়, বরং আত্মসমীক্ষা ও নৈতিক দায়িত্ববোধের এক বৌদ্ধিক ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হয়েছে। Keywords: Shiv Tattva, Symbolism, Consciousness, Cosmology, Hermeneutics, Maha Shivaratri, Scientific Spirituality ১. ভূমিকা ধর্মীয় প্রতীক ও বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে প্রায়শই সম্পূর্ণ পৃথক জগৎ হিসেবে কল্পনা করা হয়। কিন্তু মানবসভ্যতার জ্ঞান-ইতিহাসে দেখা যায়—অস্তিত্ব, সৃষ্টি, চেতনা ও মহাবিশ্ব সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্ন উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে উপস্থিত। শিবতত্ত্ব সেই প্রশ্নগুলিরই এক প্রতীকী ভাষ্য। মহা শিবরাত্রি, যা অমাবস্যার পূর্ববর্তী কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে পালিত হয়, সময়ের এমন এক সন্ধিক্ষণকে নির্দেশ করে যেখানে অন্ধকার ও আলোর সংক্রমণ ঘটে। এই গবেষণায় উৎসবটিকে ধর্মীয় আচার নয়, বরং চেতনার রূপান্তরমূলক মুহূর্ত হিসেবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ২. গবেষণার তাত্ত্বিক কাঠামো এই গবেষণা তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়ানো— ১. প্রতীকতত্ত্ব (Symbolic Interpretation) ২. তুলনামূলক দর্শন (Comparative Philosophy) ৩. সমকালীন বৈজ্ঞানিক আলোচনার ব্যাখ্যামূলক পাঠ
Fields of Study & Subjects
Cultural and Mythological Studies
Study and Philosophy of Religion
Indian and Buddhist Studies
Publication details
- Journal / source
- Mendeley Data
- Publication date
- 16 February 2026
- Language
- BN
- Document type
- Dataset