জন দরশন গণ ও পরযয

Read full text
Authors: ড. দিবাকর মান্না
Cited by: 0

Abstract

Abstract: ভারতীয় দর্শনে সৎ বস্তুর ধারণা বিভিন্ন প্রকার দেখা যায়। অদ্বৈতবাদীরা যা ত্রিকাল অবাধিত তাকেই সৎ বস্তু বলেন। নৈয়ায়িকেরা দ্রব্যাদি সাতটি পদার্থের সত্তা বা অস্তিত্ব স্বীকার করেন। তাঁদের মতে সত্তা দু’প্রকার– ‘আছে’ বলে অনুভব হয় এমন সত্তা ভাব–রূপ সত্তা। ‘নেই’ বলে অনুভব হয় এমন সত্তা আভাব-রূপ সত্তা। ভাব সত্তাও যেমন সত্য, অভাব সত্তাও তেমনি সত্য। বৌদ্ধরা স্থায়ী বস্তুর সত্তা স্বীকার করে না। কেননা স্থায়ী বস্তুর কোন অর্থক্রিয়াকারিত্ব নেই। আর অর্থক্রিয়াকারিত্বই তাঁদের মতে সৎ বস্তুর লক্ষণ। জৈনরা বলেন, অর্থক্রিয়াকারিত্বের উপর বৌদ্ধদের ক্ষণিকত্ববাদ প্রতিষ্ঠিত। অর্থক্রিয়াকারিত্ব গ্রহণযোগ্য মতবাদ না হলে ক্ষণিকত্ববাদও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আরও কথা এই যে, অর্থক্রিয়াকারীত্বের অনুরোধে সকল বস্তু ক্ষণিক মানা হলে আত্মাকেও ক্ষণিক মানতে হবে। সেক্ষেত্রে স্মৃতি, প্রত্যভিজ্ঞা, ব্যক্তি–অভিন্নতার বোধ (Personal Identity) ব্যাখ্যা করা যাবে না। মোক্ষলাভের প্রশ্নও অসঙ্গত হয়ে পড়বে। কেননা আত্মার স্থায়িত্ব না মানা হলে কার মোক্ষ লাভ হবে ? জৈনরা তাই উৎপত্তি–বিনাশ–স্থিতিশীল বস্তুই সৎ এরূপ সৎ-এর লক্ষণ বলে থাকেন। আর এই প্রবন্ধটি জৈন মতের অনুকূলেই বিস্তারিতভাবে খতিয়ান দেবে ।

Fields of Study & Subjects

Indian and Buddhist Studies Indian History and Philosophy South Asian Studies and Diaspora

Publication details

Journal / source
Zenodo (CERN European Organization for Nuclear Research)
Publication date
1 January 2026